জীবন্তিকা (মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ. সংখ্যা)
মাত্র ৪০ টাকায় বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তে বই পৌছে দেয়া হয় 
২-৫ দিনের মধ্যে বিতরণ যোগ্য

জীবন্তিকা (মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ. সংখ্যা)

স্বপ্নটা শুরু হয়েছিল ২০১২ সালে, শেষ হলো ২০১৮ সালে। মাঝখানে কেটে গেছে ছয়টি বছর। ছয় বছর=২১৮৪ দিন। ক্যালেন্ডারে অনেক দীর্ঘ সময়।

ছয় বছর আগে বন্ধু এহসান সিরাজ একদিন বলল, একটা পত্রিকা করব। জীবনীভিত্তিক পত্রিকা। একজন মনীষীকে নিয়ে পুরো এক সংখ্যা। প্রয়াত নয়, যাঁরা জীবন্ত কিংবদন্তি, তাদের জীবনের শুরু থেকে শেষ, সাফল্য-ব্যর্থতা, ত্যাগ-অর্জন, সংগ্রাম-সংসার, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সকল কিছু তুলে আনব এক সংখ্যায়। উদ্দিষ্ট কিংবদন্তির জীবনের বাইরে কোনো লেখা ছাপা হবে না। কলেবর নিদেনপক্ষে দুশো পৃষ্ঠা, বর্ধিত হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

এককথায় দারুণ আইডিয়া! লুফে নিলাম। প্রথম সংখ্যার কিংবদন্তি কে? আমাদের প্রথম পছন্দ নির্দ্বিধায় মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ.। তিনি তখনও মহীরুহের মতো জীবন্ত। তাঁর করকমলে বাংলাদেশে ইসলামি সাহিত্যের অনেক ঋণ, ইচ্ছে ছিল নিজেদের দায় কিছুটা হলেও শোধ করে দেব।

কাজ শুরু হলো। পত্রিকার নাম রাখা হলো জীবন্তিকা : মহীরুহের জীবন নিয়ে। লেখকদের লেখা সংগ্রহ হতে লাগলো, সম্পাদনা-শুদ্ধি, যোগাযোগ...একদিন খান সাহেবের সঙ্গে পত্রিকার বিশদ নিয়ে সাক্ষাত করতেও গেলাম গেণ্ডারিয়ায় তাঁর ডেরায়। তিনি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে আমাদের চিঠি পড়লেন, পরিকল্পনা জানলেন, আশাবাদী হলেন। ফেরার আগে খাসীর বিরিয়ানী দিয়ে আপ্যায়ণ, ভুলবার নয়।

দুঃখ—খান সাহেবের হাতে এই পত্রিকা তুলে দিতে পারিনি।

২০১২ সালে এহসানের জীবনে একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ছন্দপতন ঘটে। পত্রিকার কাজ থেমে যায়। আমিও ব্যস্ত হয়ে পড়ি নানান কাজ-কারবারে। এখানে-সেখানে। তবে তাড়না কখনো শেষ হতে দিইনি। মাওলানা খানকে নিয়ে জীবন্তিকা বের করবই।

২০১৬ সালে খান সাহেব ইন্তেকাল করলেন। মুষড়ে পড়ার মতো ব্যথা। আবার উদ্যম শুরু হলো—শুরু যখন করেছিলাম, একটা দাগ রেখে যাব কোথাও। পুরোনো লেখা ঝাড়পোছ আর নতুন করে আরও লেখা সংগ্রহ—সিদ্ধান্ত নিলাম, আগের চেয়ে দ্বিগুণ হবে জীবন্তিকার কলেবর।

অনেক ঝড়-ঝাপ্টা চলে গেছে তারপর, শুধু একটা ‘শুরু’ দরকার ছিল। আলহামদুলিল্লাহ! সেই শুরুটা হলো। জীবন্তিকা প্রকাশ পেলো অবশেষে।

৫৩৬ পৃষ্ঠার ঢাউস এক কলেবরে ধারণ করা হয়েছে বাংলাদেশের এক অসামান্য কিংবদন্তি মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ.-এর জীবনের আউয়াল ও আখের। লিখেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে আল্লামা শাহ আহমদ শফী, নঈম নিজাম থেকে কাদের সিদ্দিকী এবং প্রায় ১০০ জন দেশবরেণ্য ব্যক্তি। মাওলানা খানকে নিয়ে এ পর্যন্ত প্রকাশিত সবচে বৃহৎ প্রকাশনা এটি।

-সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর

সম্পাদনা: এহসান সিরাজ
প্রথম প্রকাশ: জুলাই, ২০১৮
৩২০.০০ ৪২০.০০
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১২৮
ভাষা: বাংলা
 

ফোনে অর্ডার দিতে কল করুন

০১৭২১-৯৯৯-১১২

১। আপনি ফোন বা অনলাইন এর মাধ্যমে অর্ডার করার পর কিতাব ঘর আপনার সাথে যোগাযোগ করবে এবং আপনার বিলি ঠিকানা নিশ্চিত করবে ।

২। SMS এর মাধ্যমে আপনাকে আপনার অর্ডার নং ও অর্ডার এর মুল্য পাঠানো হবে ।

৩। কিতাব ঘর এখন ঢাকা ও এর আশেপাশে ক্যাশ অন ডেলিভারী ও কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে বই পাঠাচ্ছে । এবং ঢাকার বাইরে কুরিয়ার সার্ভিস এর মাধ্যমে বই পাঠাচ্ছে ।

৪। বই পাঠানোর ১-২ দিনের মধ্যে আপনারা আপানদের ঠিকানাতে বই পেয়ে যাবেন। কিন্তু বাংলাদেশের অনেক গ্রাম বা প্রত্যন্ত এলাকা যেখানে কোনো কুরিয়ার সার্ভিস এর সেবা নাই , সেখানকার জন্য জেলা বা থানা শহরের কুরিয়ার সার্ভিস অফিস হতে বই সংগ্রহ করতে হবে ।

৫। বইয়ের মুল্য bKash, ডাচ বাংলা মোবাইল বা ক্যাশ অন ডেলিভারী এর মাধ্যমে প্রদান করা যাবে । বাংলাদেশের যে কোনো প্রান্তে ৪০ টাকায় বই পৌছে দেয়া হবে ।

৬। যারা বাংলাদেশের বাইরে থেকে অর্ডার করবেন, তাদের জন্য ডেলিভারী চার্জ বইয়ের ওজন ও দেশের উপর নির্ভর করবে । বিভিন্ন দেশের ও বিভিন্ন পরিমানের ডেলিভারী চার্জ দেখতে এখানে ক্লিক করুন ।

অনুগ্রহ করে কিতাবঘর ডট কমে লগইন করুন । লগইন

মাত্র ৪০ টাকায়

২-৫ দিনের মধ্যে ডেলিভারি দেয়া হয়
 

ক্যাশ অন ডেলিভারি

শুধু মাত্র ঢাকা ও এর আশেপাশে প্রযোজ্য
 

০১৭২১ ৯৯৯ ১১২

ফোনের মাধ্যমে ও অর্ডার নেয়া হয়