দ্য ব্লাড গসপেল
ভয়াবহ এক ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইসরায়েলের মাসাদা। পাহাড়ের গায়ে ধরল প্রকাণ্ড ফাটল আর তাতেই উন্মুক্ত হলো তার হৃদপিণ্ডে লুকিয়ে থাকা এক প্রাচীন সমাধি। লোমহর্ষক সেই আবিষ্কারের তদন্তে নামল তিনজনের এক বিচিত্র দল-মিলিটারি ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ সার্জেন্ট জর্ডান স্টোন; ভ্যাটিকান থেকে আসা রহস্যময় যাজক ফাদার রুন করজা; আর মেধাবী কিন্তু জীবন নিয়ে হতাশ প্রত্নতাত্ত্বিক ডক্টর এরিন গ্র্যাঞ্জার। মাটির নিচের সেই অন্ধকার মন্দিরে পা দিয়েই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে গেল সবার। দেখল ওরা, সেখানে ক্রুশবিদ্ধ হয়ে আছে মমি হয়ে যাওয়া এক কিশোরীর বীভৎস লাশ।
কিন্তু হুট করে সেখানে এক অতর্কিত হামলা লণ্ডভণ্ড করে দিল সব। প্রাণ বাঁচাতে দৌড় দিল তিন সঙ্গী। শুরু হলো এক অসম পাল্লা। লক্ষ্য-সেই সমাধির সিন্দুক থেকে চুরি হয়ে যাওয়া এক অতি দামি বস্তু উদ্ধার করা। গুজব আছে, ওটা আসলে এক বই, যা স্বয়ং যিশুর নিজের হাতে লেখা। তার ঈশ্বরত্ব আর অলৌকিক ক্ষমতার সব গোপন রহস্য নাকি লুকিয়ে আছে ওই বইয়ের পাতায় পাতায়। কিন্তু যাদের সাথে ওদের টক্কর, তারা সাধারণ কোনো শত্রু নয়। অনাদিকাল ধরে টিকে থাকা সেই অশুভ শক্তির নেতৃত্বে আছে এক ধূর্ত আর অসম্ভব উচ্চাকাঙ্ক্ষী শয়তান।
জীর্ণ সমাধি থেকে শুরু করে রাজকীয় সব গির্জা-সবখানেই তাড়া করে ফিরল ছায়ার মতো লেগে থাকা এক অতীত। হাজার বছর আগে যখন অশুভ সব জানোয়ার দাপিয়ে বেড়াত পৃথিবীর আঁধার কানাগলি, তখন যিশু এক অলৌকিক প্রস্তাব দিয়েছিলেন; অভিশপ্ত আত্মাদের মুক্তির জন্য করেছিলেন এক গোপন চুক্তি।
বিস্ফোরক সব তথ্যে ঠাসা এক গোপন ইতিহাসের উন্মোচন ঘটেছে এই উপাখ্যানে। কেন ক্যাথলিক যাজকরা বুকের ওপর ঝোলান প্রকাণ্ড এক ক্রুশ? কেন তারা সংসারত্যাগী হয়ে আজীবন কুমার থাকার শপথ নেন? সন্ন্যাসীরা কেন আলখেল্লার হুড দিয়ে মুখ ঢেকে রাখেন সবসময়? কেন-ই-বা চার্চের উপাসনায় ব্যবহৃত পানি মেশানো আঙুর-রসকে যিশুর নিজের রক্ত বলে দাবি করা হয়? সব প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে ভ্যাটিকানের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা এক অতি গোপন গোষ্ঠীর কাছে। লোকমুখে কেবল গুজব হিসেবে শোনা গেলেও রেমব্রান্টের আঁকা ছবিতে ঠিকই ফুটে উঠেছে তাদের সেই রহস্যময় ছায়া। অন্ধকারে লুকিয়ে থাকা সেই দলটির নাম-স্যাঙ্গুইন।
সবশেষে এক সতর্কতা: কিছু বই কখনো খুঁজে পাওয়া উচিত নয়, উচিত নয় ওগুলোর পাতা ওলটানো-এতকাল অন্তত তা-ই ছিল নিয়ম। কিন্তু এখন আর সেই উপায় নেই। ওটার ওপর হাত পড়েছে একদল মানুষের। ওটার পাতা এখন খুলতেই হবে।
- নাম : দ্য ব্লাড গসপেল
- অনুবাদক: মো. ফুয়াদ আল ফিদাহ
- লেখক: জেমস রলিন্স
- লেখক: রেবেকা ক্যান্ট্রেল
- প্রকাশনী: : বিবলিওফাইল প্রকাশনী
- পৃষ্ঠা সংখ্যা : 1336
- ভাষা : bangla
- বান্ডিং : hard cover
- প্রথম প্রকাশ: 2026





