Ekashir roktakto adhyay (একাশির রক্তাক্ত অধ্যায়)

একাশির রক্তাক্ত অধ্যায়

বিষয় : ইতিহাস
৳250.00
৳188.00
25 % ছাড়

১৯৮১ সালের মে মাসে রহস্যজনকভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে পাকিস্তান প্রত্যাগত অফিসারগণ সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জিয়াসহ ঊর্ধ্বতন মুক্তিযোদ্ধা সামরিক অফিসারদের হত্যা করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করতে যাচ্ছে। এই গুজবের উৎস কী ছিল-কারা স্বার্থ প্রণোদিত হয়ে এই গুজব ছড়িয়েছিল তা রহস্যের অন্তরালে ঢাকা থাকলেও মুক্তিযোদ্ধা সৈনিকদের উত্তেজিত করাই যে এর উদ্দেশ্য ছিল তা এক রকম নিশ্চিতভাবে বলা চলে। মে মাসের শেষের দিকে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য সেনানিবাসেও এই গুজব ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে চট্টগ্রামে ৩০৫ পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর হিসেবে কর্মরত মেজর কাইউম এতই ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন যে তিনি সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরে এডজুডেন্ট জেনারেলস ব্রাঞ্চে কর্মরত মেজর তাহেরকে ফোনে আসন্ন বিপদের কথা বলে তাঁকে কিছুদিনের জন্য ছুটিতে যেতে পরামর্শ দেন। এর কয়েকদিন পরেই ৩০ মে রাত্রে রাষ্ট্রপতি জিয়াকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।'  রাষ্ট্রপতি জিয়াকে হত্যা করার জন্য এর আগেও তিনবার পরিকল্পনা করা হয়। ১৯৮০ সালের ২০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি, ভাটিয়ারীতে অফিসার ক্যাডেটদের শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ হওয়ার কথা ছিল। এই কুচকাওয়াজে জিয়ার অভিবাদন গ্রহণ করার কথা ছিল এবং সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন অফিসারদেরও উপস্থিত থাকার কথা ছিল। পরিকল্পনা ছিল ১৯ ডিসেম্বর ইবিআরসি অফিসারস মেসে এক নৈশভোজে রাষ্ট্রপতিসহ অন্যান্যদের আমন্ত্রণ করা হবে এবং তাঁদের গ্রেফতার করা হবে। এটাই ছিল প্রথম পরিকল্পনা যা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি।  ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত একসারসাইজ আয়রন শিন্ড চলাকালে কক্সবাজারে 'অ্যামফিবিয়াস ল্যান্ডিং' এর মহড়া দেখানো হয়। দ্বিতীয় পরিকল্পনা ছিল রাষ্ট্রপতি ও তিন বাহিনী প্রধান এই মহড়া পরিদর্শনে কক্সবাজার যাবেন এবং সেখানে তাঁদেরকে গ্রেফতার করে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হবে এবং কয়েকটি দাবি মানতে বাধ্য করা হবে। বিপ্লবী পরিষদ গঠন, সংবিধান বাতিল করা, কমপক্ষে তিন বছরের জন্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা ইত্যাদি এই দাবিসমূহের অন্যতম ছিল। পরিকল্পনা মোতাবেক লেঃ কর্নেল মতি কক্সবাজারে যান এবং প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমানকে রাষ্ট্রপতির সাথে সার্কিট হাউজে অবস্থান করতে বাধা সৃষ্টি করেন।

সঠিক মূল্য

সকল পণ্য তুলনামূলকভাবে বাজারের সমমূল্যে বা এর চেয়ে কম মূল্যে বিক্রয় করা হয়

ডেলিভারী

বাংলাদেশের যে-কোন প্রান্তে ২-৫ দিনের মধ্যে পণ্য পৌঁছে দেয়া হয়

নিরাপদ পেমেন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও নিরাপদ পেমেন্ট পদ্ধতি মাধ্যমে পেমেন্টের সুযোগ

২৪/৭ কাস্টমার কেয়ার

সার্বক্ষণিক কেনাকাটার জন্য সার্বক্ষণিক সহায়তা
পণ্যটি সফলভাবে কার্টে যুক্ত হয়েছে     কার্ট দেখুন