Mohanobi (Sa.) jader biruddhe obhijog korben (মহানবী (সা.) যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন)

মহানবী (সা.) যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন

৳340.00
৳204.00
40 % ছাড়

আল-কুরআন একটি স্বচ্ছ আয়না যেখানে সবাই নিজেকে দেখতে পায় মহাগ্রন্থ আল কুরআন একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা। জীবনের সকল বিভাগে ইহা পরিব্যপ্ত। জীবনের কোনো অংশই এর আওতার বাইরে নয়। সকল মানুষের সম্পর্কে কুরআন আলোচনা করে। পাপী-তাপী, ধনী-গরীব, আলেম-জাহেল, মূর্খ-জ্ঞানী, নারী-পুরুষ, কাফির-মুমিন, নামাজি-বেনামাজি,  কৃষক-শ্রমিক মোটকথা সকল শ্রেণীর সকল পেশার মানুষকে নিয়ে কুরআন আলোচনা করে। কুরআন খুলে গভীর মনোযোগ দিয়ে পাঠ করলেই সকলের আলোচনা পাওয়া যায়। মানবতার জন্য কুরআন একটি দর্পণ, একটি স্বচ্ছ-পরিচ্ছন্ন, সত্য ও আস্থাশীল আয়না; যাতে সকলেই নিজের চেহারা,  আকৃতি ও অবয়ব দেখতে পায়, সমাজ জীবনে তার স্থান ও মর্যাদা সম্পর্কে জানতে পারে, প্রভুর নিকট তার মর্তবা কতটুকু, তাও সে জানতে পারে। কারণ কুরআন মানুষের চরিত্র ও গুণাবলী সম্পর্কে বর্ণনা করে। তাতে মানবতার উচ্চ ও নিম্ন প্রত্যেক শ্রেণীর প্রতিচ্ছবি বিদ্যমান রয়েছে। আল্লাহ  পাক বলেন-

لَقَدْ أَنْزَلْنَا إِلَيْكُمْ كِتَابًا فِيهِ ذِكْرُكُمْ أَفَلَا تَعْقِلُوْنَ

‘আমি তোমাদের কাছে এমন একটি কিতাব অবতীর্ণ করেছি, যাতে ‘তোমাদের সকলের কথা ও আলোচনা’ রয়েছে। অথচ তোমরা চিন্তা-ভাবনা কর না। এই আয়াতে ‘তোমাদের কথা ও আলোচনা’ অর্থাৎ এই গ্রন্থে তোমাদের বর্ণনা রয়েছে। তোমাদের অবস্থা ও গুণাবলী উল্লেখ আছে। আমাদের মনীষীগণ কুরআনকে জীবন্ত কথপোকথনকারী এবং জীবনের সমস্যাবলীর সমাধানে ভরপুর একটি গ্রন্থ কল্পনা করতেন। তাঁদের নিকট কুরআন  কোনোঐতিহাসিক কিংবা প্রাচীন যুগের কোনো নিদর্শন নয় যে, শুধু অতীত ও পর্ববর্তী যুগের লোকদের নিয়েই সে আলোচনা করে। আর জীবন্ত লোকদের নিত্য-নৈমিত্তিক পরিবর্তিত জীবন এবং মানবতার সেই অসংখ্য ও অগণিত আদর্শ; যা প্রত্যেক যুগে, প্রত্যেক স্থানে বিদ্যমান থাকে, তার  সাথে কোনোই সম্পর্ক নেই। আমাদের মনীষীগণ নিজেদের চরিত্র, গুণাবলী ও অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্যকে ভালো করেই জানতেন।

প্রত্যেক বিষয়ই তাঁদের সামনে আলোকিত ও সুস্পষ্ট হয়ে যেত। তাঁরা এই কুরআন থেকেই রাহনুমায়ি ও দিক নির্দেশনা গ্রহণ করতেন। এই গ্রন্থের মধ্যে তাঁরা নিজেদের  চেহারা, অবয়ব ও আখলাক-চরিত্রের সঠিক ও নিষ্কলুষ প্রতিচ্ছবি তালাশ করতেন। আর খুব সহজেই তাঁরা সব কিছু পেয়ে যেতেন এ গ্রন্থে। যদি কুরআনের দর্পণে তাঁরা নিজেদেরকে কল্যাণময় ও পূতঃপবিত্র পেতেন, তাহলে প্রভুর শুকরিয়া আদায় করতেন। আর যদি নিজেদের চরিত্রে কোনো  কলঙ্ক ও দাগ দেখতে পেতেন, তাহলে মহান প্রভুর নিকট তওবা ও ইসতিগফার করতেন এবং ইসলাহ ও আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করতেন। এমনি এক মহান ব্যক্তির কথা আমি এখানে আলোচনা করব, যিনি নিজেকে কুরআনের দর্পণে দেখতে চেষ্টা করেছিলেন। নিজেকে মিলাতে চেষ্টা করেছিলেন,  তিনি কোন শ্রেণীর মানুষের সাথে সাদৃশ্য রাখেন। সেই ভাগ্যবান ব্যক্তিটি ছিলেন বিখ্যাত তাবেয়ি হযরত আহনাফ বিন কায়েস রহ.। আহনাফ বিন কায়েস ছিলেন একজন বীর যোদ্ধা। তাঁর সাহস ও শৌর্য ছিলো অপরিসীম। ইসলাম গ্রহণের পর আল্লাহর নবীকে দেখার সৌভাগ্য তাঁর হয়নি।

তবে বহু সাহাবিকে তিনি দেখেছেন। বিশেষ করে তিনি হযরত আলী রা.-এর দীর্ঘ সান্নিধ্য অর্জন করেছেন। হযরত আলী রা. এর প্রতি তাঁর ছিলো অগাধ ভালোবাসা ও সুগভীর শ্রদ্ধাবোধ। একদিন তাঁর সামনে পবিত্র কুরআনের এই আয়াতটি কেউ পাঠ করল- لَقَدْ أَنْزَلْنَا إِلَيْكُمْ كِتَابًا فِيهِ ذِكْرُكُمْ أَفَلَا تَعْقِلُونَ ‘আমি তোমাদের কাছে এমন একটি কিতাব অবতীর্ণ করেছি, যাতে ‘তোমাদের আলোচনা’ আছে। অথচ তোমরা চিন্তা-ভাবনা কর না।

সঠিক মূল্য

সকল পণ্য তুলনামূলকভাবে বাজারের সমমূল্যে বা এর চেয়ে কম মূল্যে বিক্রয় করা হয়

ডেলিভারী

বাংলাদেশের যে-কোন প্রান্তে ২-৫ দিনের মধ্যে পণ্য পৌঁছে দেয়া হয়

নিরাপদ পেমেন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও নিরাপদ পেমেন্ট পদ্ধতি মাধ্যমে পেমেন্টের সুযোগ

২৪/৭ কাস্টমার কেয়ার

সার্বক্ষণিক কেনাকাটার জন্য সার্বক্ষণিক সহায়তা
পণ্যটি সফলভাবে কার্টে যুক্ত হয়েছে     কার্ট দেখুন