ইংল্যান্ড ভ্রমণের দিনগুলো
আমরা যুক্তরাজ্য ভ্রমণের জন্য ছয় মাসের ট্যুরিস্ট ভিসা পেয়েছিলাম। সেই সুবাদে ২৩ জুলাই ২০২৩ সালে আমি এবং আমার স্ত্রী লন্ডনের উদ্দেশ্য যাত্রা করি। ইংল্যান্ডকে খুব কাছ থেকে দেখার বহুদিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নে অধীর আগ্রহ নিয়ে প্রহর গুনছিলাম। আমার মেয়ে নাগরিকত্ব নিয়ে
লন্ডনে সপরিবারে থাকে কয়েক বছর ধরে। তারাই সব ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। তাই আমাদের বাড়তি ঝামেলা পোহাতে হয়নি। আমি জ্ঞান অর্জনে যথেষ্ট সময় ব্যয় করার চেষ্টা করি। ইংল্যান্ড ভ্রমণের ইচ্ছা আমার বহু আগ থেকেই ছিল। ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনের উন্নয়নের যে ধারাবাহিকতা তা
মাত্র ৬০ থেকে ৬৫ বছরের। আশ্চর্যের বিষয় হলো মাত্র এই স্বল্প সময়ে লন্ডনের চতুর্পাশে ৩০০/৪০০ কিলোমিটার এলাকাকে জুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে প্রায় চারশত ভিলেজ টাউন। সমসংখ্যক রয়েছে রেল স্টেশন। স্টেশনের নামেই গড়ে তোলা হয়েছে ভিলেজ টাউনগুলো। মনে হয় যেন
সবকিছুই সদ্য নির্মিত। অপূর্ব সাজে সুসজ্জিত, ময়লা আবর্জনা, বায়ু দূষণ, শব্দ দূষণ, পানি দূষণ, মৃত্তিকা দূষণ এসব দেশটিতে দেখিনি। শহরটি দেখে তাদের রুচিবোধের প্রশংসা না করে উপায় নেই। মাত্র ৬০ বছরের এই এচিভমেন্ট ইংল্যান্ড সরকারের সত্যবাদিতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বলে আমি
মনে করি। তাদের ক্যারিশমাটিক উন্নয়নের বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত আমি এ গ্রন্থে তুলে ধরেছে। শুধু লন্ডন শহর নয় পুরো ইংল্যান্ড রাজ্যটিই সাজানো গোছানো পরিপাটি সবুজের সমারোহ চতুর্দিকে। তিন তলার উপর বাড়ি নেই। তাও পর্যাপ্ত ফাঁকা, যাতে ঘরের অভ্যন্তরে আলো বাতাস অনায়াসে
ঢুকতে পারে। কী চমৎকার সিস্টেম। আইন যেন তাদের কাছে এক মহা পবিত্র গ্রন্থ। আমাদের বর্ষতা আমরা ঢাকা শহরকে সেভাবে গড়ে তুলতে পারিনি। ভ্রমণ সাহিত্য নিয়ে যারা পড়াশোনা করেন এবং ভ্রমণ বিদাসী মানুষদের কাছে এই এন্থটি শুধু আনন্দ উপভোগ নয় জানের খোরাকও জোগাবে।
যারা লেখালেখি ও ভ্রমণ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে নিরলস গবেষণা করেন তাদের জন্য রয়েছে বিশাল তথ্যসমূদ্ধের ভান্ডার। আশা করি সর্বশ্রেণির পাঠকদের কাছে বইটি সমাদৃত হবে। সুপ্রিয় পাঠক সমাজে গ্রন্থটি সুখপাঠ্য হিসেবে বিবেচিত হলেই ভাববো আমার অক্লান্ত পরিশ্রম সার্থক হয়েছে।
- নাম : ইংল্যান্ড ভ্রমণের দিনগুলো
- লেখক: হারুন-আর-রশিদ
- প্রকাশনী: : আহমদ পাবলিশিং হাউজ
- পৃষ্ঠা সংখ্যা : 174
- ভাষা : bangla
- ISBN : 9789841109202
- বান্ডিং : hard cover
- প্রথম প্রকাশ: 2025





