সৌভাগ্যবান রাখাল
মানুষের সবচে মূল্যবান সম্পদ তার সুস্থ বিবেক-বুদ্ধি বা বিবেচনা-শক্তি। এটা যতক্ষণ সঠিক পথে থাকবে, ততক্ষণ তার পরিচয়ও অক্ষুণ্ণ থাকবে। গল্পের মাধ্যমে খুব সহজে, বিনোদনের ভিতর দিয়ে এই শিক্ষা শিশুর মনে গেঁথে দেওয়া যায়। যার প্রতিক্রিয়া বাস্তব জীবনেও তাকে সঙ্গ দেয়, তাকে যে কোনো বিরূপ পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করে। গল্পের জ্ঞান কখনো তার সামনে আবির্ভূত হয় স্নেহময়ী শিক্ষকের ভূমিকায়। কখনো পরম উপকারী বন্ধুরূপে। এটা কেবল ভালো মূল্যবোধের গল্পের ক্ষেত্রে। বিকৃত রুচি বা মন্দ বিষয়ের গল্প শিশু-কিশোরদের বিবেকে কালো দাগ কাটে।
ফলে তার মধ্যে এক প্রকার নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হতে থাকে। বাস্তবজীবনে এমন শিক্ষা তাকে আদর্শচ্যুত করে। হীনকাজে লিপ্ত করে নীতি-নৈতিকতাকে উপেক্ষা করে। সমাজের চোখে তাকে নীচ প্রতিপন্ন করে। শিশুমনের তৃপ্তিহীন একটি বাসনা হচ্ছে, গল্প। শিশু গল্প শুনতে চায়। গল্পের সাহসী চরিত্রে নিজেকে দেখার প্রয়াস পায়। গল্প থেকে শিখতে চায়। আমাদের উচিত তাই শিক্ষণীয় গল্পের মাধ্যমে তাদের হৃদয়কে আলোকিত করা। তাদের মননকে উন্নত ও রুচিশীল করে তোলা। তাদের বুদ্ধি ও বিবেচনার শক্তিকে প্রখর করে তোলা।
যাতে তাদের সামনে যে-কোনো বিষয় ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে দাঁড়ায়। পরে তার সঠিকতা বিশুদ্ধ পন্থায় যাচাই করে তাকে গ্রহণ বা বর্জনের সাহসী মানসিকতা তৈরি হয়। এক্ষেত্রে গল্পের ভূমিকাও অগ্রণী।
- নাম : সৌভাগ্যবান রাখাল
- লেখক: মাহদী আবদুল হালিম
- প্রকাশনী: : মাকতাবাতুন নূর
- পৃষ্ঠা সংখ্যা : 80
- ভাষা : bangla
- ISBN : 978-984-99725-8-7
- বান্ডিং : hard cover
- প্রথম প্রকাশ: 2026





