নবীজির সা. হজ্জ
পবিত্র কা'বার সামনে
বিছানাপত্র রেখে আমরা তাজা ওযু করে নিই। তারপর কম্পিত বুকে হারাম শরীফে হাজির হই। তখন সকাল ১০টা বাজে। কা'বা শরীফ সামনে। চোখ যেন বিশ্বাস করতে চাচ্ছিল না যে, এখন আমি সেই পবিত্র বাইতুল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে আছি, বছরের পর বছর যার কল্পনায় কেটে গেছে! সৌভাগ্যক্রমে মাতাফ সম্পূর্ণ খালি। বিশ-ত্রিশ জনের মত লোক তাওয়াফ করছে। ফলে তাওয়াফের প্রতি চক্করেই খুব অনায়াসেই হাজারে আসওয়াদের চুম্বন নসীব হয়। মুলতাযামে হাজির হই। সেখানেও জনাকয়েক লোক। প্রাণভরে প্রাণের উত্তাপ উজাড় করার চমৎকার সুযোগ।
তখন মাকামে ইবরাহীম ছোট্ট একটি স্থাপনার মধ্যে ছিল। এখানে অবস্থানকালে সেটাকেই আমরা আমাদের ঠিকানা বানিয়ে নিয়েছিলাম। কেননা সেখান থেকে বাইতুল্লাহ শরীফের দরজা ও মুলতাযাম সর্বক্ষণ সামনে থাকত। ইমাম সাহেব নামায পড়ানোর সময় তার সামনেই দাঁড়াতেন। যমযম কুয়াটিও একটি ইমারতের মধ্যে ছিল। সেখানে নিজ হাতে বালতি ফেলে পানি তোলা যেত। এ সৌভাগ্যও আমাদের অর্জিত হয়।
পরবর্তী দিন ফজরের আগে হারাম শরীফ যাচ্ছিলাম। হিজরতের রাতের কথা স্মরণ হচ্ছিল, যে রাতে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম শত্রুদের অবরোধ ভেঙ্গে ঘর থেকে বের হয়ে পড়েন এবং মক্কা মুকারামার অলিগলি পার হয়ে সামনে এগুতে থাকেন। কতই না কঠিন ছিল সে রাত!
১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দ : সামুদ্রিক জাহাজে উমরার সফরের প্রস্তুতি....
আমার জীবনকথা ২য় খন্ড থেকে
আজকের বাইতুল্লাহর মুসাফিরও যদি ভাব ও আবেগের সাথে বিদায় হজ্জের এবং বিদায় ভাষণের অধ্যয়ন ও অনুধাবন করেন, তবে তার পক্ষেও তা অনেক বরকত বয়ে নিয়ে আসবে ইনশাআল্লাহ।
সহীহ হাদীসের আলোকে বিদায় হজ্জের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এবং বিদায় ভাষণের মৌলিক শিক্ষা ও দীক্ষা সম্বলিত - 'নবীজির ﷺ হজ্জ' কিতাবটি হতে পারে একজন হজ্জযাত্রীর অমূল্য পাথেয়
- নাম : নবীজির সা. হজ্জ
- লেখক: শায়খ আবদুল ওয়াহ্হাব ইবনে নাসির আত্তারীরী
- প্রকাশনী: : মাকতাবাতুল আশরাফ
- পৃষ্ঠা সংখ্যা : 312
- ভাষা : bangla
- বান্ডিং : hard cover
- প্রথম প্রকাশ: 2016





