নিরস্ত্র পদাবলী
পদ্যে কি ইতিহাস লিখা চলে? হয়তোবা, তবে কাজটা বড়ো কঠিন। ইলিয়ড অথবা ওডিসির মতো মহাকাব্যিক ইতিহাস লিখতে গেলে কবিকে হোমারের মতোই বিচক্ষণ, সত্যদর্শী, ও স্বাপ্নিক হতে হবে। মিশ্রণটা সহজ নয় মোটেই। ঘরের কাছের উদাহরণ
খুঁজতে গেলে বিপ্রদাস পিপলাই-এর মনসামঙ্গল কাব্যের কথাও বলা যায়। পঞ্চদশ শতকে চাঁদ সওদাগরের সেই বাণিজ্যপথের বিবরণ আর সপ্তগ্রাম থেকে হুগলি-সরস্বতী নদীর দখিন অববাহিকার বেশ একটা বাস্তব ছবি তুলে ধরতে হয়েছিল বিপ্রদাসকে তার
লেখায়। সে সময়কার সংস্কৃতি আর লোকজ ইতিহাস তো বটেই, সেই সাথে ভূগোল আর বাণিজ্য দুটোতেই অগাধ দখল নিতে হয়েছিল কবিকে। আমি ভৌগোলিক নই, বাণিজ্য জানি না মোটেই, যদিও ইতিহাস নিয়ে আগ্রহ অনেক। এইটুকু সম্বল নিয়ে আর
যাই হোক, কাব্যে ইতিহাস লিখা চলে না। তা সত্ত্বেও, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারটা আলাদা। ২০০৯ এর ২৫ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারির সেই নারকীয় অন্তর্ঘাত, শাসনিক ব্যর্থতা, আর অপরাজনীতির স্বরূপ যাদের সামনে দৃশ্যমান হয়েছিল, তাদের অনেকের
কাছেই হয়তো জীবনের পরিষ্কার দুইটি বিভাজন: পিলখানার আগে ও পরে। খুব কাছ থেকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের বেশ কিছুটা দেখা ও বোঝার সুযোগ আমার হয়েছিল, যার কিছুটা পর্যালোচনা এই কাব্যপ্রচেষ্টার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে।
- নাম : নিরস্ত্র পদাবলী
- লেখক: হেলাল মুহাম্মদ
- প্রকাশনী: : অপেরা পাবলিকেশন
- পৃষ্ঠা সংখ্যা : 64
- ভাষা : bangla
- বান্ডিং : hard cover
- প্রথম প্রকাশ: 2025
লগ ইন করুন ও রিভিউ যুক্ত করুন





