লীলাবতী
সপ্তম শতকের প্রখ্যাত গণিতজ্ঞ ভাস্করাচার্যের কন্যার নাম থেকে শুরু করে লেখকের স্বপ্নের সেই রহস্যময়ী তরুণী—সব মিলিয়েই 'লীলাবতী'। পাটিগণিতের বইয়ে দেখা সেই জলপদ্মের অংক আর একটি নামের প্রতি গভীর মুগ্ধতা থেকেই এই উপন্যাসের জন্ম। নামকরণের নেপথ্যে: ভাস্করাচার্য ও তাঁর কন্যা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ভাস্করাচার্যের একমাত্র কন্যা লীলাবতীর বিয়ে ভেঙে গিয়েছিল 'বৈধব্যযোগ'-এর অজুহাতে। কন্যার সেই গভীর শোক মুছতে পিতা ভাস্করাচার্য তাঁর বিখ্যাত গণিত শাস্ত্রের বইটির নাম রাখেন 'লীলাবতী', যেন পৃথিবী অনন্তকাল তাঁর কন্যাকে মনে রাখে। জলপদ্মের অংক: ফ্ল্যাপে উল্লিখিত জলপদ্মের সেই চমৎকার গাণিতিক সমস্যাটি মূলত ভাস্করাচার্যের মূল 'লীলাবতী' গ্রন্থ থেকেই অনুপ্রাণিত, যা শৈশবে আমাদের অনেকেরই পাটিগণিত বইয়ের পাতায় বিস্ময় জাগাত। হুমায়ূন আহমেদের 'লীলাবতী': স্বপ্ন ও বাস্তবতা স্বপ্ন থেকে সৃষ্টি: লেখক একবার স্বপ্নে লীলাবতীকে দেখেছিলেন এবং সেই থেকেই নামটি তাঁর মনের গভীরে গেঁথে যায়। সেই স্বপ্নে দেখা মেয়েটিকে ঘিরেই একটি উপন্যাস লেখার প্রবল ইচ্ছা জন্মায়। ভিন্ন এক প্রেক্ষাপট: যদিও নামটি ঐতিহাসিক গণিতগ্রন্থ থেকে নেওয়া, কিন্তু হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের কাহিনী সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে লীলাবতীর বাবা কোনো বিশ্ববিখ্যাত গণিতবিদ নন, বরং সাধারণ এক মানুষ—সিদ্দিকুর রহমান। মানবিক আখ্যান: এই উপন্যাসে গণিত নয়, বরং মানুষের সম্পর্কের জটিলতা, এক ঐশ্বর্যশালী পরিবারের উত্থান-পতন আর লীলাবতী নামের এক মায়াবী চরিত্রের জীবনযুদ্ধ ফুটে উঠেছে। পিতার সেই চিরন্তন উক্তি: "মা গো, তোমার জন্য কিছু করার সামর্থ্য আমার নেই, তবে পৃথিবীর মানুষ যেন বহু যুগ তোমাকে মনে রাখে আমি সেই ব্যবস্থা করছি।
- নাম : লীলাবতী
- লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
- প্রকাশনী: : অন্যপ্রকাশ
- পৃষ্ঠা সংখ্যা : 240
- ভাষা : bangla
- ISBN : 9848683453
- প্রথম প্রকাশ: 2020





