Mosjid Guideline (মসজিদ গাইডলাইন)

মসজিদ গাইডলাইন

৳250.00

কেন এই বই

১। মসজিদ পরিচালনার হ-য-ব-র-ল অবস্থা দূর করে একটি সুশৃঙ্খল

ও উন্নত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আমাদের মসজিদ যেন প্রকৃত অর্থে জীবন্ত ও প্রাণবন্ত মসজিদ হয়ে ওঠে।

২। মুসলিম উম্মাহর একতার প্ল্যাটফর্ম মসজিদকে কেউ যেন বিভেদের প্ল্যাটফর্ম বানিয়ে ফেলতে না পারে।

৩। কোন বাতিলপন্থী যেন মিম্বারে বা মসজিদে দ্বীনের অপব্যাখ্যা করে তাদের বাতিল মতবাদ প্রচার করার কোন ধরনের সুযোগ না পায়।

৪। মসজিদকে যাতে কেউ প্রচলিত নোংরা রাজনীতির বাহন হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে।

৫। ইমাম ও খতীবগণ যেন নির্দ্বিধায় ও নিঃসংকোচে মসজিদে হক কথা বলার সুযোগ পান, সে পরিবেশ যেন সুনিশ্চিত হয়।

৬। মসজিদ পরিচালনায় যথাযথভাবে আলেমদের রাহনুমায়ী গ্রহণ করাকে যেন সফলতার পূর্বশর্ত মনে করা হয়।

৭। দ্বীনের ধারক-বাহক আলেমদের প্রতি মানুষের দিলে যেন মহব্বত ও শ্রদ্ধার আসন তৈরি হয় এবং মসজিদের ইমাম-মুআজ্জিন ও খাদেমকে যেন তাচ্ছিল্যের নযরে দেখা না হয়।

৮। ইমাম-খতীব ও মুআজ্জিনদের মর্যাদাপূর্ণ ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা দেওয়া কেন জরুরি, তা অনুধাবন করে তাদের হক সুনিশ্চিত করা।

৯। বিপদগ্রস্ত ও আর্থিক সংকটাপন্ন মানুষের ঈমান রক্ষার উদ্দেশ্যে ও আর্ত মানবতার সেবায় আলেমদের নেতৃত্বে মসজিদভিত্তিক কল্যাণ তহবিল ও ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন গড়ে তোলা, যাতে সমাজের অবহেলিত ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষদেরকেও মসজিদমুখী ও দ্বীনমুখী করা সহজ হয়।

১০। প্রতিটি এলাকার মানুষ যেন আদর্শ ইমাম-মুআজ্জিন, আদর্শ মুসল্লী ও আদর্শ কমিটি লাভ করতে পারে- সে বিষয়ে দলিলভিত্তিক ও সুচিন্তিত পরামর্শ ও সঠিক কর্মপন্থা জানার জন্য।

১১। সামাজিক অনেক কু-প্রথা সম্পর্কে জ্ঞানের অভাবে অনেকেই বিভিন্ন প্রথাগত ও লোকদেখানো অনুষ্ঠান করে মোটা অংকের খরচা করে বসেন। কিন্তু এসব বৃহৎ ব্যয় না আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের কারণ হয়, আর না সমাজের গঠনমূলক কোন কাজে আসে। কীভাবে সদকায়ে জারিয়া ও ঈসালে সওয়াবের অর্থ সঠিক উপায়ে ও সঠিক জায়গায় ব্যবহারের মাধ্যমে আর্থিক অপচয় রোধ করে আদর্শ সমাজ গড়া যায়-তা জানানো।

এককথায় বইটিতে মসজিদ কেন্দ্রিক দ্বীনী খেদমত, সু-ব্যবস্থাপনা ও মসজিদভিত্তিক আদর্শ সমাজ বিনির্মাণের একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

বইয়ের আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান না থাকলে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হতে পারি

১। মসজিদ সংক্রান্ত বিষয়ে ইলমের অভাব থাকলে, ইমাম-মুআজ্জিন, কমিটি ও মুসল্লী কার কি দায়িত্ব তা জানা না থাকলে এবং ইসলামী আচরণবিধি রক্ষা না করলে মসজিদের রুহানী পরিবেশ নষ্ট হবে এবং মসজিদে গোলযোগ লেগেই থাকবে।

২। আলেম ও ইমামদের শরয়ী মানসাব-এর মর্যাদা রক্ষা না হলে মসজিদ পরিচালনা কমিটি দ্বারা দ্বীনের উপকারের পরিবর্তে ক্ষতিই সাধিত হবে। এর খারাপ প্রভাব পড়ে মসজিদে ও পুরো সমাজে।

৩। মসজিদের কাজের পরিধি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকলে কমিটির দ্বারা কাঙ্ক্ষিত সুফল মেলে না এবং আদর্শ সমাজ গঠনেও ভূমিকা রাখা সম্ভব হয় না।

৪। ইখলাস ও চিন্তার পরিশুদ্ধি ছাড়া মসজিদের খেদমতে যুক্ত হলে এর খারাপ প্রভাব পড়ে পুরো সমাজের ওপর। তাই এ বইয়ে বিভিন্ন চিন্তাধারার ভুল-ভ্রান্তি সংশোধনেরও চেষ্টা করা হয়েছে।

৫। যথাযথ নিয়ম ও আদব না মেনে ভুল উপায়ে বা বেআদবিপূর্ণ আচরণ করে ইমাম সাহেবকে সংশোধন করতে গেলে নিজের ঈমান-আমলের জন্য খতরার কারণ হতে পারে।

যাদের জন্য লেখা:-

বইটি যেহেতু ইমাম-মুআজ্জিন, কমিটি ও মুসল্লী সবার জন্য বিশেষ নির্দেশিকা, সে হিসেবে এটি সব শ্রেণির পাঠকের জন্য উপকারি হবে ইনশাআল্লাহ। বিশেষত তালিবুল ইলম ভাই ও আলেমদের সুবিধার্থে টীকাতে আরবী নুসূস ও প্রমাণাদি উল্লেখ করার চেষ্টা 

করা হয়েছে। এতে তারা ব্যাপক উপকৃত হবেন বলে আশা করি। এছাড়াও যারা হক-বাতিলের পার্থক্য বুঝতে ও ধরতে পারেন না, তারা বইটি পাঠ করলে আশা করি বিষয়টি সহজে অনুধাবন করতে পারবেন এবং এ বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা লাভ করবেন।

৳

সঠিক মূল্য

সকল পণ্য তুলনামূলকভাবে বাজারের সমমূল্যে বা এর চেয়ে কম মূল্যে বিক্রয় করা হয়

ডেলিভারী

বাংলাদেশের যে-কোন প্রান্তে ২-৫ দিনের মধ্যে পণ্য পৌঁছে দেয়া হয়

নিরাপদ পেমেন্ট

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও নিরাপদ পেমেন্ট পদ্ধতি মাধ্যমে পেমেন্টের সুযোগ

২৪/৭ কাস্টমার কেয়ার

সার্বক্ষণিক কেনাকাটার জন্য সার্বক্ষণিক সহায়তা
পণ্যটি সফলভাবে কার্টে যুক্ত হয়েছে     কার্ট দেখুন