দ্য ভিলেন ক্যান বি আ লাভার
‘ইতিহাস সাক্ষী, ভিলেনের ভাগ্যে কখনো নায়িকার স্থান হয় না। এলিজাবেথ আমার ছিল, আমারই থাকবে। তার জীবনে একমাত্র হিরো আমি। সেখানে রিচার্ড কায়ানাতের মতো কোনো ভিলেনের অস্তিত্ব নেই। রিচার্ড সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে যাচ্ছিল। হঠাৎ
পেছন থেকে তেড়ে আসা তাকবীরের স্পর্ধিত কথায় সে থমকে দাঁড়াল। ঘাড় বাকিয়ে পেছনে ফিরে তাকাল। অধর কোণে কপট হাসির রেখা টেনে সিঁড়ি ভেঙে এগিয়ে গেল রিচার্ড। টানটান ভঙ্গিতে দাঁড়াল তাকবীরের ঠিক মুখোমুখি। প্রথমেই তাকবীরের
আপাদমস্তক বাজপাখির মতো শাণালো দৃষ্টিতে পরখ করে নিল সে। অতঃপর ইস্পাতের ন্যায় ধারালো চোয়ালে নিজস্ব রাজকীয় ঠাঁট বজায় রেখে বলল, ‘স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কাটতে রিচার্ড কায়নাত বরাবরই সাহসী। এবার ইতিহাস বদলাবে। এলিজাবেথের ডেসটিনিতে এই ভিলেনের নাম লেখা ছিল এবং চিরকাল থাকবে। এই গল্পের শেষটা লেখা হবে আমার ইচ্ছায়। আর সেই ইতিহাস অমর হয়ে থাকবে।’
তাকবীর রিচার্ডের চোখের মণিতে চোখ রেখে বলল, ‘সে যে পথে হাঁটে, সেই পথের ধুলোকেও আমি ভালোবাসি।’
প্রত্যুত্তরে রিচার্ড একইভাবে দাঁতে দাঁত পিষল, ‘তাকে স্পর্শ করা বাতাসকেও আমি ঘৃণা করি।





