দাগ
এই দাগ কি শুধু কোনো নারীর দগ্ধ, বিকৃত, মুখের দাগ? নাকি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ এবং অভিশপ্ত যৌতুকের শিকার কোনো নারীর হৃদয়ের দাগ? নাকি প্রতিপত্তি আর আভিজাত্যের দেয়ালে বন্দি সমাজে বসবাসকারী নির্যাতিত, বঞ্চিত নারীদের হৃদয়ের দাগ? নাকি এই দাগ সমাজের?
বইটির শুরুর দিকের কিছু অংশ: মায়ার সাথে মামুনের সম্পর্কটা মেনে নিতে পারেননি মায়ার বাবা। মা মরে গেছে কবেই। সৎ মায়ের ঘরে বোন লতাকে নিয়ে একরকম বোঝা হয়েই আছে মায়া। বাবার একরোখা স্বভাব, গোয়ার্তমি, আর কিছু অবিবেচকের মত সিদ্ধান্ত মায়ার সমস্ত জীবন এক নিমেষে ওলট-পালট করে দেয়। চিরস্থায়ী 'দাগ' বসে মন ও দেহে। খড়-কুটোর মত ভেসে যেতে থাকা মায়াকে আশ্রয় দেন একজন। অতীত ভুলে বাঁচতে শেখান নতুন করে। এই দাগ কাউকে দেখাবে না বলেই মায়া নাম পরিচয় বদলে মায়া থেকে হয়ে ওঠে ঊর্মি।
স্কুল জীবনে মামুনের সাথে পাল্লা দিয়ে আরেকজন উজাড় করে ভালোবেসেছিল মায়াকে, শুভ্র নাম তার। স্কুল বদলের জন্য দীর্ঘদিন আর মুখোমুখি হতে হয়নি তাদের।
দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর পর চাকরির সুবাদে শুভ্রর মুখোমুখি হতে বাধ্য হলো মায়া।
আপাদমস্তক বোরকার আড়ালে নিজেকে লুকানোর চেষ্টায় সফল হলেও কণ্ঠস্বর লুকাবে কেমন করে? লুকোচুরিই বা কেন এত? শুভ্র যদি মায়ায় সাথে ঘটে যাওয়া কগল্পগুলো জানতে পারে, ভুল বুঝবে না তো? বলবে না তো সব মায়ারই দোষ? শুভ্র এসব জানলেই বা কী আসে যায় মায়ার?
প্রশ্নের পর প্রশ্ন, নিজেকে লুকানোর অভিনয়, নিঃসঙ্গ পৃথিবীতে টিকে থাকার লড়াই...সফল হবে তো মায়া?
- নাম : দাগ
- লেখক: জিল্লুর রহমান
- প্রকাশনী: : অন্বেষা প্রকাশন
- পৃষ্ঠা সংখ্যা : 142
- ভাষা : bangla
- ISBN : 9789849522348
- বান্ডিং : hard cover
- প্রথম প্রকাশ: 2021





