নজরুলের কবিতায় মিথ
প্রত্যেকটি সৃষ্টিই মিথ’- এ-কথা উচ্চারিত হবার পর যে-কারও কাছে মনে হতে পারে, তাহলে কি ইতিহাস মিথের অন্তর্গত? এ-কথার জবাবও নিহিত সৃষ্টির মধ্যেই। মিথের গর্ভ থেকেই ইতিহাসের জন্ম। ভাষা তো বটেই। মিথের সঙ্গে সংস্কৃতির সম্পর্ক নিয়ে
কেউ প্রশ্ন করেন না। কিন্তু ধারণা করি, সংস্কৃতি ও মিথ পরস্পরের বাহন এবং পরিপূরকও। যদি আমরা সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা নিই, দেখব এ এক অনন্যসাধারণ ফল্গুধারা মানবযাত্রার-যার সূচনাই হয়েছে অগ্রযাত্রা বা অগ্রাভিযান দিয়ে। মানুষ এই পৃথিবীতে
এসে তার প্রতিবেশ পরিবেশের বস্তুজগৎ থেকে উপকরণ বা সামগ্রী নিয়ে যা কিছু সৃষ্টি বা তৈরি করেছে তা-ই হলো তার সংস্কৃতি। এই সংস্কৃতি সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো জানেন কালচারাল অ্যানথ্রোপলজিস্টরা। এঁরা সংস্কৃতির মূল খুঁজে বের করেছেন এবং এর
সংজ্ঞাও দিয়েছেন। মেলভিল জে. হারস্কোভিটস তার Cultural Dynamics বইয়ে লিখেছেন, ÔCulture is the man-made part of the environment. এর আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে, মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট বা তৈরি পরিবেশই হলো
কালচার বা সংস্কৃতি। আর এর অন্তর্নিহিত অর্থ হচ্ছে, প্রকৃতির সম্পদ ব্যবহার করে জীবনধারণ করবার জন্য যা কিছু তৈরি বা সৃষ্টি করেছে মানুষ, তা-ই তার সংস্কৃতি বা সাংস্কৃতিক সম্পদ। ওই সম্পদ প্রাকৃতিক উপাদানে সৃষ্ট কিন্তু প্রকৃতি-সৃষ্ট নয়, মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট। তাই মিথকে আমি বলি মানবযাত্রার ফল্গু।
- নাম : নজরুলের কবিতায় মিথ
- লেখক: ড. মাহবুব হাসান
- প্রকাশনী: : বাংলাপ্রকাশ
- পৃষ্ঠা সংখ্যা : 120
- ভাষা : bangla
- বান্ডিং : hard cover
- ISBN : 9789844271678
- প্রথম প্রকাশ: 2026





