যকের ধন
আমি বললুম, কিন্তু এতদিন আর কেউ যদি সেই ধন-রত্নের সন্ধান পেয়ে থাকে? সন্ন্যাসী বললেন, কেউ পায়নি। সে বড় দুর্গম দেশ, সেখানে যে বৌদ্ধমঠ আছে, তা কেউ জানে না, আর কোনো মানুষও সেখানে যায় না। মঠে গেলেও, সারা জীবন ধরে ধন-রত্ন খুঁজলেও কেউ পাবে না। কিন্তু তোমাকে সেখানে গিয়ে খুঁজতে হবে না; ধন-রত্ন ঠিক কোনখানে পাওয়া যাবে, তা জানবার উপায় কেবল আমার কাছে আছে। এই বলে সন্ন্যাসী তার ঝোলা থেকে একটি মড়ার মাথার খুলি বার করলেন।
আমি আশ্চর্য হয়ে বললুম, ওতে কি হবে ঠাকুর? সন্ন্যাসী বললেন, যে যক ধন-রত্নের পাহারায় আছে, এ তারই খুলি। এই খুলিতে আমি মন্ত্র গড়ে দিয়েছি, এ খুলি যার কাছে থাকবে যক তাকে আর কিছুই বলবে না। খুলিতে এই যে অঙ্কের মতো রেখা রয়েছে, এ হচ্ছে সাংকেতিক ভাষা। এই সংকেত বুঝবার উপায়ও আমি তোমাকে বলে দিচ্ছি, তাহলেই তুমি জানতে পারবে কোনখানে ধন-রত্ন আছে?-এই বলে সন্ন্যাসী আমাকে সংকেত বুঝবার গুপ্ত উপায় বলে দিলেন।
- নাম : যকের ধন
- লেখক: হেমেন্দ্রকুমার রায়
- প্রকাশনী: : প্রতীক প্রকাশনা সংস্থা
- পৃষ্ঠা সংখ্যা : 128
- ভাষা : bangla
- ISBN : 9789848154823
- বান্ডিং : hard cover
- প্রথম প্রকাশ: 2024





