জ্বীন কন্যা অতিপ্রাকৃত রহস্য উপন্যাস
২০১১ সালে রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার কুরুয়া গ্রামে ঘটেছিলো ভয়ংকর রহস্যময় এক ঘটনা। ঘটনা ঘটেছিল ১০ ই মে। সেদিন বিলাইছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনথিয়া নামের একজন নার্স হঠাৎ করেই হারিয়ে যায়। একদম ভারতের বর্ডারের কাছে পাহাড়ি জঙ্গলে ঘেরা গ্রামে এরকম নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তি সত্যিই আশংকাজনক ছিলো। সারাদিন পুরো এলাকা তন্ন তন্ন করে খুঁজেও সিনথিয়ার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিলো না। রাতের বেলায় গ্রামের একজন জঙ্গলের পথে বাড়ি যাওয়ার সময় দুটো বড় প্লাস্টিকের বস্তায় সিনথিয়ার কাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখতে পায়। বিলাইছড়ি থানায় খুনের মামলা দায়ের করা হয়। কিন্তু কোনো ক্লু না থাকায় পুলিশ এই খুনের তদন্তের কোনো দিকনির্দেশনা পাচ্ছিলো না। তাছাড়া রাঙামাটি সদর থেকে বিলাইছড়ি যাওয়ার কোনো সড়ক পথ ছিল না। রাইংখ্যং নদী দিয়ে নৌকা যোগে সেখানে যেতে হয়।
যোগাযোগ ব্যবস্থার এরকম বাজে অবস্থায় রাঙামাটির পুলিশ থেকে তেমন সহায়তা না পাওয়ার কারণে ধীরে ধীরে এই চাঞ্চল্যকর হত্যার ঘটনা চাপা পড়ে যায়। কিন্তু তার ঠিক এক বছর পর ১০ই মে ঝুমুর নামের আরো একজন নার্স নিখোঁজ হয়। তার লাশও সিনথিয়ার মতো বস্তাবন্দী অবস্থায় পাওয়া যায়।
এবার নড়েচড়ে বসে প্রশাসন ও এলাকার মানুষ। এরকম মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে দেশ জুড়ে। টনক নড়ে প্রশাসনের। তৎকালীন পুলিশ, বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থা এই দুটো চাঞ্চল্যকর খুনের তদন্ত করতে গিয়ে রীতিমতো দিশেহারা হয়ে পড়ে। এই দুটো খুনের তদন্ত করতে
বিলাইছড়ি এসে নতুন এক ভয়ংকর রহস্যে জড়িয়ে পড়েন ইন্সপেক্টর আটিদ চাকমা। গ্রামে গোজেনের কষ্টিপাথরের মূর্তির জন্য কালো জাদুর তপস্যা করা মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। তার চোখের সামনেই ঘটতে থাকে এমন কিছু ঘটনা যা সে কখনো কল্পনাতেও ভাবে নি। একের পর এক বীভৎস খুনগুলো আসলে কে করছে? তবে কী কোনো সাইকো কিলার ছদ্মবেশে এই পাহাড়ি গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছে। নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো রহস্য? তাছাড়া খুন দুটো একবছরের ব্যবধানে একই তারিখে কীভাবে করা হলো?
- নাম : জ্বীন কন্যা
- লেখক: তুর্জয় শাকিল
- প্রকাশনী: : কলি প্রকাশনী
- ভাষা : bangla
- বান্ডিং : hard cover
- প্রথম প্রকাশ: 2026





