সমুদ্রের অতলতলে দুঃসাহসিক হাজার কিলো
ইংরেজি সাহিত্যে যাকে সায়েন্স ফিকশন বলা হয়েছে, বাংলায় তা কল্পবিজ্ঞান। অর্থাৎ কল্পনার বিজ্ঞান। সায়েন্স ফিকশনের মূল প্রেরণার সঙ্গে বাংলা তরজমাটি জুতসই হয়নি। ভবিষ্যতের সম্ভাব্য ঘটনাবলি সম্পর্কিত বই হলো সায়েন্স ফিকশন। এখানে কল্পনার কোনো কথা বলা হয়নি। বাংলায় আছে ‘আকাশ-কুসুম কল্পনা’ শব্দ, সায়েন্স ফিকশন এ রকম কিছু নয়।
এ সাহিত্যের লেখক রহস্য ভেদ করে অনেক দূর যেতে পারেন, কোনো না কোনো দিন তা বাস্তব হয়েছে বা হবে। জুল ভার্নের সায়েন্স ফিকশনগুলো তা-ই। এখানকার বইটি টোয়েন্টি থাউজ্যান্ড লিগস আন্ডার দ্য সি-র ঘটনাবলি কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাস্তব হয়েছে। সমগ্র দুনিয়ার বিজ্ঞানীরা এ বই থেকেই সাবমেরিনের ধারণা গ্রহণ করে তা জলজ্যান্ত করেছেন। জুল ভার্নের আগে দুনিয়ায় সাবমেরিন ছিল না। সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ আবিষ্কার হলো জুল ভার্নের টোয়েন্টি থাউজ্যান্ড লিগস আন্ডার দ্য সি প্রকাশের পরই।
এ গ্রন্থই জুল ভার্নকে সমুদ্র দুনিয়ায় জনপ্রিয় করে তোলে। তাঁর জন্ম ফ্রান্সে, তাই বুঝি ফ্রান্সের কোনো বিজ্ঞানী, অধ্যাপক, ডাক্তার কিংবা প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রী পাওয়া যাবে না, যিনি জুল ভার্ন পড়ে বড়ো হননি। ফ্রান্সের আগে এসব আমেরিকাতেই ঘটেছে, সমগ্র বিশ্বই জুল ভার্ন নিয়ে টালমাটাল।
- নাম : সমুদ্রের অতলতলে দুঃসাহসিক হাজার কিলো
- অনুবাদক: ড. মোহাম্মদ হাননান
- প্রকাশনী: : কথাপ্রকাশ
- পৃষ্ঠা সংখ্যা : 94
- ভাষা : bangla
- ISBN : 978-984-3906-48-9
- বান্ডিং : hard cover
- প্রথম প্রকাশ: 2025





