গুলবাহার
বাইরে বৃষ্টির জ্যামিতি, অথচ ভেতরে ভেতরে চক্রবৃদ্ধিহারে ভিজে যাচ্ছে দ্বিখণ্ডিত দুই প্রাণ। 'গুলবাহার' এমনই এক প্রেমের আখ্যান-যেখানে টলমল দুটি হৃদয় ঘুরে-ফিরে ছুঁয়ে যায়, ধরা দেয় কিন্তু তবু যেন অধরা পরস্পর।
ঔপন্যাসিক আমাদের এমন এক প্রেমিকের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন যার ভেতরে আছে আগলে রাখার অপরিসীম ক্ষমতা। সে কেবল স্মৃতি হাতড়ে বাঁচে না, বরং প্রেমের প্রতিটি শপথকে পরম যত্নে অমর করে রাখতে জানে। আর আমাদের পাঠক মনের হাহাকার যেন বারবার ডেকে ওঠে, গুলবাহার... গুলবাহার..... সালেহ রনক 'হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে' ভালোবাসেন। তাই তিনি গল্পের প্লট দাঁড় করিয়েছেন মধ্যবয়সের মুখোমুখি, চল্লিশোর্ধ্ব দুটি হৃদয়, অসংখ্য বাঁক পেরিয়ে, স্মৃতির পথে মিলিত হয়। টানটান উত্তেজনা আর দ্বিধার দ্বৈরথ নিয়ে এগিয়ে চলে গল্পের গাড়ি।
প্রেম থাকবে অথচ সমাজের ব্যারিকেড থাকবে না তা কি কখনো হয়? জীবনবাস্তবতার জটিলতা ও অসহায়ত্বের মাঝেও কখনো কখনো টুকরো টুকরো আনন্দ নিয়ে ফুটে ওঠে সফেদ প্রমিলা ফুল। এ প্রমিলা কি শুধুই এক ফুল। রোমন্থনে রোমন্থনে ঝরে যাবে না কি কালের সাক্ষী হয়ে শোভা পাবে প্রেমিকার খোঁপায়?





