যদিও সন্ধ্যা
যদিও সন্ধ্যা — সৃজনশীলতার ঝড় ও হৃদয়ের অব্যক্ত আর্তনাদ
শিল্পীর মনের ভেতর যখন সৃজনশীলতার পুরনো ঝড় নতুন করে শুরু হয়, তখন চারপাশের জগত তুচ্ছ হয়ে যায়। 'যদিও সন্ধ্যা' উপন্যাসের এই দৃশ্যে শওকতের পেন্সিলের টানে যেমন এক অসাধারণ সৃষ্টির আভাস পাওয়া যায়, তেমনি আনিকার কান্নায় মিশে আছে গভীর কোনো বিষাদ ও সম্পর্কের টানাপোড়েন।
ফ্ল্যাপের মূল দৃশ্যপট ও আবেগীয় দিকসমূহ:
শিল্পীর মগ্নতা: শওকত দীর্ঘ বিরতির পর এক অবিশ্বাস্য ক্ষিপ্রতায় ছবি আঁকছেন। তাঁর কাছে এই সৃজনশীল ঝড় একই সাথে ভয়াবহ এবং মধুর। পারিপার্শ্বিকতা ভুলে তিনি কেবল তাঁর সৃষ্টিতে নিমগ্ন।
ছেলের নীরব সহযোগিতা: কিশোর ইমন তার বাবার এই পরিবর্তন দেখে অভিভূত। বাবার পেন্সিল ভেঙে গেলেই সে নতুন পেন্সিল এগিয়ে দিচ্ছে। ছবিটা না দেখেই সে অনুভব করতে পারছে যে তার বাবা এক অসাধারণ পোট্রেট আঁকছেন।
কৌতূহলী দর্শক ও আনিকার কান্না: উপস্থিত অতিথিরা বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকলেও আনিকা ক্রমাগত কাঁদছে। তার এই কান্না যেমন রহস্যময়, তেমনি বেদনাবিধুর। আনিকার এই আবেগ যেন সন্ধ্যার সেই গোধূলি বেলার মতো বিষণ্ণ।
সম্পর্কের টানাপোড়েন: জামালের বিব্রত হওয়া এবং আনিকার হাত ধরতে বলা—এই ছোট কথোপকথনের আড়ালে লুকিয়ে আছে গভীর কোনো মান-অভিমান কিংবা না বলা ইতিহাস।
- নাম : যদিও সন্ধ্যা
- লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
- প্রকাশনী: : অন্যপ্রকাশ
- পৃষ্ঠা সংখ্যা : 112
- ভাষা : bangla
- ISBN : 9848682627
- বান্ডিং : hard cover
- প্রথম প্রকাশ: 2013





