সকল বই সেরা বিসয়্সমুহ জনপ্রিয় লেখক প্রকাশনী লগইন

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী

তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন (১ম খন্ড )

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ৪০২.০০

তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন (৩য়-খন্ড )

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ৪৭৪.০০

চোখের হেফাযত ও যবানের হেফাযত

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ৩৩.০০

ইসলাম ও আমাদের জীবন-৭ মন্দ চরিত্র ও তার সংশোধন

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ২০৪.০০

হালাল গোশত হারাম গোশত

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ৬২.০০

স্বামী-স্ত্রীর সুন্দর জীবন

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ৪২.০০

মুনাফিকের তিন আলামত

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ৩৯.০০

নির্বাচিত ওয়াজ

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ১৮৬.০০

খ্রীষ্ট ধর্ম বিকৃতির ইতিহাস

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ৬২.০০

সময়ের মুল্যায়ন

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ৬৫.০০

সহজ নেকী

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ৯৬.০০

মধ্য রাতের সূর্য

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ৪৯.০০

উলূমুল কুরআন ও উসূলে তাফসীর

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ২৪০.০০

মৃত্যুর পূর্ব প্রস্ত্ততি ও জান্নাতের মনোরম দৃশ্য

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ৬০.০০

কুরবানী ইতিহাস ফাযাইল ও মাসাইল

হযরত মাওলানা মুফতি মুহাম্মাদ শফী রহ.
 ৪৮.০০

ইসলাম ও আমাদের জীবন-৮ উত্তম চরিত্র

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ২১৬.০০

ইসলাম ও আধুনিক অর্থব্যবস্থা সিরিজ (১-৮)

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ১৩২৬.০০

আকাবির জীবনের জীবন্ত নমুনা

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ৭২.০০

সন্তানের লালন-পালন

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ৩৬.০০

তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন ১, ২, ৩ (পূর্ণসেট)

শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
 ১২৭৮.০০

লেখক পরিচিতি

বিচারপতি মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ তাকী উসমানী (জন্ম: ১৯৪৩) পাকিস্তানের একজন প্রখ্যাত ইসলামী ব্যক্তিত্ব। তিনি হাদীস,ইসলামী ফিকহ,তাসাউফ ও অর্থনীতিতে বিশেষজ্ঞ। তিনি বর্তমানে ইসলামী অর্থনীতিতে সক্রিয় ব্যক্তিদের অন্যতম। তিনি ১৯৮০ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শরীয়াহ আদালতের এবং ১৯৮২ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের শরীয়াহ আপিল বেঞ্চের বিচারক ছিলেন। তিনি ইসলামী ফিকহ্ ,হাদিস,অর্থনীতি এবং তাসাউউফ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ। তিনি বিখ্যাত তাফসীরগ্রন্থ “মাআরিফুল কোরআন”এর রচয়িতা মুফতি শফী উসমানীর সন্তান এবং বিখ্যাত দুই ইসলামী ব্যক্তিত্ব মাওলানা রফী উসমানী ও মাওলানা ওয়ালী রাজীর ভাই।

জন্ম

মাওলানা তাকী উসমানী ৫ শাওয়াল ১৩৬২ হিজরী মুতাবেক ১৯৪৩ সালের ৫ অক্টোবর ভারতের উত্তর প্রদেশের সাহারানপুর জেলার দেওবন্দ নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ভারত বিভাগের পর ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১ মে তাঁর পরিবার হিজরত (স্থানান্তরিত) করে পাকিস্তান গমন করে। তাঁর বাবা হলেন পাকিস্তানের বিখ্যাত আলেম মুফতি শফি। মাওলানা তাকী উসমানী পাঁচ ভাইবোনের মাঝে দ্বিতীয়। তাঁর বংশধারাইসলামের দ্বিতীয় খলিফা উসমান রা.-এর সাথে মিলিত হয়েছে।

শিক্ষাজীবন

পরিবারে মায়ের কাছেই তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয়। মার কাছেই তিনি উর্দু ও ফার্সি ভাষার প্রাথমিক পাঠ গ্রহণ করেন। ১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দে আট বছর বয়সে তিনি দারুল উলুম করাচিতে ভর্তি হন। ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে তিনি এই প্রতিষ্ঠান থেকেই দরসে নেযামি সিলেবাসের সর্বোচ্চ স্তর দাওরা হাদিস সমাপন করেন। দাওরা হাদিসের কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় তিনি সর্বকালের সেরা নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি তাঁর পিতা মুফতি শফী উসমানীর তত্ত্বাবধানে ইসলামী ফিকহে উচ্চতর শিক্ষা অর্জন করেন।

১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দে তিনি দারুল উলুম করাচী থেকে ফিক্হ ওফতোয়ার ওপর তাখাস্সুস (পি.এইচ.ডির সমমানের ডিগ্রি) সম্পন্ন করেন। ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে তিনি করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি এবং রাজনীতি বিজ্ঞানে বি.কম এবং ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল.এল.বি পাশ করেন। এছাড়া তিনি পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকেআরবি ভাষা ও সাহিত্যে এম.এ ডিগ্রিও অর্জন করেন।[১] তিনি শায়খ হাসান মাশাত, মুফতী মুহাম্মদ শফী উসমানী, মাওলানা ইদ্রীস কান্দলভী, মুফতী রশীদ আহমাদ লুধিয়ানভী এবং শায়খুল হাদীস মুহাম্মদ যাকারিয়া কান্ধলভীর কাছ থেকে হাদীস বর্ণনার ইজাযত (অনুমতি) গ্রহণ করেন।।

তাসওউফ

তাসওউফের গুরুত্ব অনুধাবন করে দেওবন্দের আলিমদের ধারা অনুসারে তিনি আশরাফ আলী থানভী রহ.-এর খলিফা শায়খ ডা. আব্দুল হাই আরিফীর হাত বাইআত (শীষত্ব) হন। ১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে ডা. আব্দুল হাই আরিফী মৃত্যুবরণ করেন। তখন তিনি আশরাফ আলী থানভি রহ.-এর আরেক খলিফা মাসীহুল্লাহ খান থেকে বাইআত গ্রহণ করেন।

কর্মজীবন

১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে দাওরা হাদিস সমাপনের পর থেকেই তিনি দারুল উলুম করাচিতে অধ্যাপনা করে আসছেন। ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০২ খ্রিষ্টাব্দের মে মাস পর্যন্ত তিনি পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের শরিয়া এ্যাপ্লাইট বেঞ্চের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। “মিজান ব্যাংক” প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পাকিস্তানে সর্বপ্রথম তিনিই ইসলামী ব্যাংকিং চালু করেন। তাকী উসমানী আন্তর্জাতিক ফিকহ একাডেমি (ওআইসির একটি শাখা সংস্থা) এর একজন স্থায়ী সদস্য। ৯ বছর তিনি আন্তর্জাতিক ফিকহ একাডেমির ভাইস চেয়ারম্যানও ছিলেন।

 ২০০৪ সালের মার্চ মাসে মাওলানা তাকী উসমানীকে দুবাইয়ে আন্তর্জাতিক ইসলামী অর্থনীতি সংস্থার বার্ষিক অনূষ্ঠানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রি ইসলামী অর্থনীতিতে তাঁর অবদান ও অর্জনের কারণে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করে। প্রতি সপ্তাহের রবিবার তিনি করাচীর দারুল উলুম মাদরাসায় তাযকিয়াহ তথা আত্মশুদ্ধি সম্পর্কে বয়ান করেন। বর্তমানে তিনি দারুল উলুম করাচীতে সহীহ বুখারী,ফিকহ এবং ইসলামী অর্থনীতির দরস (কোন বিষয়ে পরামর্শ বা বক্তব্য প্রদান করা) দেন। ১৯৭০ সালে প্রেসিডেন্ট যুলফিকার আলী ভুট্টোর আমলে পাকিস্তান ন্যাশনাল এ্যাসেম্বলি কর্তৃক কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা করার ব্যাপারে আলিমদের মধ্য হতে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

জেনারেল জিয়াউল হকের শাসনামলে হদ্দ,ক্বিসাস এবং দিয়ত সম্পর্কিত আইন প্রণয়নে তিনি অগ্রবর্তি ভূমিকা পালন করেন। ১৯৬৭ সাল থেকে তিনি উর্দূ মাসিক পত্রিকা আল-বালাগ এবং ১৯৯০ সাল থেকে ইংরেজি মাসিক পত্রিকা আল-বালাগ ইন্টারন্যাশনালের প্রধান সম্পাদক পদে আছেন।ইসলামী ব্যাংকিং ও অর্থনীতি সম্পর্কে তিনি বিভিন্ন পত্রিকা ও সাময়িকীতে বহু প্রবন্ধ লিখেছেন। তিনি আরবি,উর্দূ এবং ইংরেজিভাষায় ষাটের অধিক গ্রন্থের রচয়িতা। তার রচিত অধিকাংশ বই বাংলায় অনূদিত হয়েছে।